গল্পটি ২০১৩ সালের ঘটনা। আমি ও বাবা মাছ ধরি।আমরা পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে যাই।কিন্তু সেদিন অনেক রাত হয়ে যায় এবং আমরা ঐদিন অনেক কম মাছ ধরতে পেরেছিলাম তাই আরো মাছ ধরার জন্য জাল ফেললাম তখন রাত ১টা বাজে আমরা অনেক মাছ ধরতে পারলাম যখন বাড়ি ফিরব তখন হটাৎ একটা বড় ঢেউ এল এবং আমাদের নৌকা ডুবে গেল।আমি ও বাবা সাতার কেটে পারে যেতে চাইলাম কিন্তু কে যেন আমার পা ধরে রেখেছিল।সে আমাকে টানতে শুরু করল আমি প্রায় ডুবে গিয়েছিলাম এবং পরে অজ্ঞান হয়ে গেলাম।সকালে যখন উঠলাম দেখলাম আমি হাসপাতালে পরে জানতে পারলাম এক ট্রলার চালক ও তার হেলপার আমাকে হাবুডুবু খেতে দেখে আমাকে উদ্ধার করে।এবং আমার পায়ের দিকে তাকিয়ে দেখলাম যে আমার পায়ে কারো আচড়ের দাগ।এ দাগ কার এবং কে আমাকে টানছিল।এ প্রশ্নের উত্তর আজও পেলাম না।পরে এক সপ্তাহ আমার ও বাবার জ্বর ছিল।এ ঘটনার পর থেকে আমরা সন্ধ্যা ৬টার পর আর মাছ ধরি না।যতটুকু মাছ ধরতে পাই তাই নিয়ে ঘরে ফিরে আসি।এখন ও মাঝে মাঝে ঐ রাতের ঘটনাটা আমার স্বপ্নে আসে।
সন্ধ্যা পেরিয়ে গেছে অনেকক্ষণ। পৃথিবীর বুকে নেমে এসেছে জমজমাট অন্ধকার। দেবকুমার বুঝতে পারল সে পথ হারিয়ে ফেলেছে—বন্ধু রজতের বাড়ি খুঁজে বার করা একেবারেই অসাধ্য। কত চেষ্টাই তো করল সে! কিন্তু রজতের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পথ সে খুঁজে বার করতে পারল না । মনে মনে জেগে ওঠে তার শত অনুতাপ। রজত তাকে বারণ করেছিল। সে বলেছিল বারবারই, “শোনো দেবকুমার, এসব পাহাড়ে জায়গা একেবারেই ভালো নয়, এখানে-সেখানে কত বিপদ ওৎ পেতে বসে আছে! কাজেই বিকেল পাঁচটা না বাজতেই ফিরে এসো !” সে তখন হেসেছিল বিদ্রুপের হাসি! একটা শক্ত-সমর্থ জোয়ান ছেলে সে, পাহাড়ে পথ বলেই কি তার বিপদ হবে? সে কি পাঁচ বছরের কচি ছেলে যে তাকে সহজেই কেউ বিপদে ফেলতে পারে? তখন এমনি কত কথাই তার মনে হয়েছিল, কিন্তু এখন ? এখন যে বাচ্চা ছেলের মতোই সে পথ হারিয়ে ফেলল ? এখন কোথায় সে যাবে? কেই বা তাকে আশ্রয় দেবে? হ্যাঁ, ঐ যে দূরে একটা আলো দেখা যায় না? দেবকুমারের আশা হল, নিশ্চয়ই ঐখানে কোনো বসতি আছে, ওখানে গেলে সে নিশ্চয়ই একটু আশ্রয় পেতে পারে। দেবকুমার জোরে পা চালিয়ে দিল। মিনিট দশেক পরেই দেখা গেল, এক প্রকাণ্ড বাড়ি তার সুমুখে দাঁড়িয়ে। বাড়িটি জীর্ণ পুরা...
Comments
Post a Comment